ঢাকা ০৫:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মানসিক সুস্থতায় সন্তানের ভূমিকা: দুই সন্তান থাকলে ঝুঁকি কমতে পারে

  • ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট সময় : ১০:৩২:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৯৯৬৬ বার ভিউ


নারীদের মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে সন্তান একটি গুরুত্বপূর্ণ ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে—এমন তথ্য উঠে এসেছে সাম্প্রতিক এক গবেষণায়। গবেষকদের মতে, দুই সন্তান থাকা নারীদের মানসিক রোগের ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে কম হতে পারে।

চীনের সুচাউ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক দল যুক্তরাজ্যের ৫৫ হাজারেরও বেশি নারীর দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যতথ্য বিশ্লেষণ করে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছান। গবেষণায় দেখা যায়, যেসব নারীর সন্তান রয়েছে, তাদের মধ্যে বাইপোলার ডিসঅর্ডার ও বিষণ্নতার মতো গুরুতর মানসিক সমস্যার ঝুঁকি সন্তানহীন নারীদের তুলনায় প্রায় ৩০ শতাংশ কম।

বিখ্যাত চিকিৎসা সাময়িকী ‘জার্নাল অব অ্যাফেকটিভ ডিসঅর্ডার্স’-এ প্রকাশিত গবেষণায় বলা হয়েছে, সন্তানের সংখ্যা শূন্য থেকে দুই পর্যন্ত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানসিক রোগের ঝুঁকি ধীরে ধীরে হ্রাস পায়। তবে দুইয়ের বেশি সন্তান হলে এই ইতিবাচক প্রভাব আর তেমন বাড়ে না, বরং একটি স্থিতিশীল পর্যায়ে পৌঁছে যায়।

গবেষকদের মতে, বিশ্বজুড়ে প্রজনন হার কমে যাওয়া এবং একই সঙ্গে মানসিক ব্যাধির হার বেড়ে যাওয়ার বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই গবেষণার গুরুত্ব অনেক বেশি।

বিশেষজ্ঞরা জানান, এই সুরক্ষার পেছনে জৈবিক ও মনস্তাত্ত্বিক উভয় কারণ কাজ করে। গর্ভাবস্থায় নারীদের শরীরে ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়, যা মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা উন্নত করতে এবং মুড নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ভূমিকা রাখে। দীর্ঘমেয়াদে এসব হরমোনজনিত পরিবর্তন মানসিক রোগের বিরুদ্ধে প্রাকৃতিক প্রতিরোধ হিসেবে কাজ করতে পারে।

মানসিক সুস্থতায় সন্তানের ভূমিকা: দুই সন্তান থাকলে ঝুঁকি কমতে পারে

আপডেট সময় : ১০:৩২:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬


নারীদের মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে সন্তান একটি গুরুত্বপূর্ণ ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে—এমন তথ্য উঠে এসেছে সাম্প্রতিক এক গবেষণায়। গবেষকদের মতে, দুই সন্তান থাকা নারীদের মানসিক রোগের ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে কম হতে পারে।

চীনের সুচাউ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক দল যুক্তরাজ্যের ৫৫ হাজারেরও বেশি নারীর দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যতথ্য বিশ্লেষণ করে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছান। গবেষণায় দেখা যায়, যেসব নারীর সন্তান রয়েছে, তাদের মধ্যে বাইপোলার ডিসঅর্ডার ও বিষণ্নতার মতো গুরুতর মানসিক সমস্যার ঝুঁকি সন্তানহীন নারীদের তুলনায় প্রায় ৩০ শতাংশ কম।

বিখ্যাত চিকিৎসা সাময়িকী ‘জার্নাল অব অ্যাফেকটিভ ডিসঅর্ডার্স’-এ প্রকাশিত গবেষণায় বলা হয়েছে, সন্তানের সংখ্যা শূন্য থেকে দুই পর্যন্ত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানসিক রোগের ঝুঁকি ধীরে ধীরে হ্রাস পায়। তবে দুইয়ের বেশি সন্তান হলে এই ইতিবাচক প্রভাব আর তেমন বাড়ে না, বরং একটি স্থিতিশীল পর্যায়ে পৌঁছে যায়।

গবেষকদের মতে, বিশ্বজুড়ে প্রজনন হার কমে যাওয়া এবং একই সঙ্গে মানসিক ব্যাধির হার বেড়ে যাওয়ার বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই গবেষণার গুরুত্ব অনেক বেশি।

বিশেষজ্ঞরা জানান, এই সুরক্ষার পেছনে জৈবিক ও মনস্তাত্ত্বিক উভয় কারণ কাজ করে। গর্ভাবস্থায় নারীদের শরীরে ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়, যা মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা উন্নত করতে এবং মুড নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ভূমিকা রাখে। দীর্ঘমেয়াদে এসব হরমোনজনিত পরিবর্তন মানসিক রোগের বিরুদ্ধে প্রাকৃতিক প্রতিরোধ হিসেবে কাজ করতে পারে।