ঢাকা ০৬:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে অগ্রগতির কথা তুলে ধরলেন ড. খলিলুর রহমান

  • ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট সময় : ১১:৪৫:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৯৯৪৬ বার ভিউ


জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির কথা তুলে ধরেছেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত জেমিসন গ্রিয়ারের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ বিষয়টি উল্লেখ করেন।

শুক্রবার প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, একই দিনে ড. খলিলুর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডন লিঞ্চের সঙ্গেও পৃথক বৈঠক করেন।

বৈঠকে ড. খলিলুর রহমান বলেন, পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হওয়ার আগেই বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে। এর ফলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে বড় অগ্রগতি হয়েছে। ইতোমধ্যে চুক্তির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক বাস্তবায়ন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এই অগ্রগতির প্রেক্ষিতে বর্তমানে কার্যকর থাকা ২০ শতাংশ ‘রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ’ বা পারস্পরিক শুল্ক কমানোর প্রস্তাব দেন ড. খলিলুর রহমান। রাষ্ট্রদূত জেমিসন গ্রিয়ার বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনার আশ্বাস দেন।

এ ছাড়া যেসব পোশাকপণ্যে মার্কিন কাঁচামাল বা উপকরণ ব্যবহার করা হয়, সেগুলোর ওপর থেকে শুল্ক কমানো বা প্রত্যাহারের প্রস্তাবও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার বিষয়ে একমত পোষণ করেন মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি।

বৈঠকে উভয় পক্ষ দ্রুততম সময়ে পারস্পরিক শুল্ক চুক্তি চূড়ান্ত ও বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অমীমাংসিত বিষয়গুলো দ্রুত সমাধানের বিষয়ে ঐকমত্য প্রকাশ করে।

ড. খলিলুর রহমান বলেন, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধি পেলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীদের মধ্যে যোগাযোগ আরও জোরদার হবে।

সম্প্রতি বাংলাদেশকে মার্কিন ‘ভিসা বন্ড’ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করায় ব্যবসায়িক ভ্রমণ সহজ করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার জন্য রাষ্ট্রদূত গ্রিয়ারকে আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের জন্য ডিএফসি (ডেভেলপমেন্ট ফাইন্যান্স কর্পোরেশন) তহবিল প্রাপ্তির অনুরোধও জানান জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা।

রাষ্ট্রদূত গ্রিয়ার এসব বিষয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। অপরদিকে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধির পক্ষে সহকারী প্রতিনিধি ব্রেন্ডন লিঞ্চসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নেন।
এদিকে, শুক্রবার ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে অগ্রগতির কথা তুলে ধরলেন ড. খলিলুর রহমান

আপডেট সময় : ১১:৪৫:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬


জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির কথা তুলে ধরেছেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত জেমিসন গ্রিয়ারের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ বিষয়টি উল্লেখ করেন।

শুক্রবার প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, একই দিনে ড. খলিলুর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডন লিঞ্চের সঙ্গেও পৃথক বৈঠক করেন।

বৈঠকে ড. খলিলুর রহমান বলেন, পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হওয়ার আগেই বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে। এর ফলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে বড় অগ্রগতি হয়েছে। ইতোমধ্যে চুক্তির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক বাস্তবায়ন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এই অগ্রগতির প্রেক্ষিতে বর্তমানে কার্যকর থাকা ২০ শতাংশ ‘রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ’ বা পারস্পরিক শুল্ক কমানোর প্রস্তাব দেন ড. খলিলুর রহমান। রাষ্ট্রদূত জেমিসন গ্রিয়ার বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনার আশ্বাস দেন।

এ ছাড়া যেসব পোশাকপণ্যে মার্কিন কাঁচামাল বা উপকরণ ব্যবহার করা হয়, সেগুলোর ওপর থেকে শুল্ক কমানো বা প্রত্যাহারের প্রস্তাবও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার বিষয়ে একমত পোষণ করেন মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি।

বৈঠকে উভয় পক্ষ দ্রুততম সময়ে পারস্পরিক শুল্ক চুক্তি চূড়ান্ত ও বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অমীমাংসিত বিষয়গুলো দ্রুত সমাধানের বিষয়ে ঐকমত্য প্রকাশ করে।

ড. খলিলুর রহমান বলেন, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধি পেলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীদের মধ্যে যোগাযোগ আরও জোরদার হবে।

সম্প্রতি বাংলাদেশকে মার্কিন ‘ভিসা বন্ড’ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করায় ব্যবসায়িক ভ্রমণ সহজ করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার জন্য রাষ্ট্রদূত গ্রিয়ারকে আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের জন্য ডিএফসি (ডেভেলপমেন্ট ফাইন্যান্স কর্পোরেশন) তহবিল প্রাপ্তির অনুরোধও জানান জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা।

রাষ্ট্রদূত গ্রিয়ার এসব বিষয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। অপরদিকে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধির পক্ষে সহকারী প্রতিনিধি ব্রেন্ডন লিঞ্চসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নেন।
এদিকে, শুক্রবার ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।