ঢাকা ০৪:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দক্ষিণ এশীয় উচ্চশিক্ষার ভবিষ্যৎ রূপরেখা নির্ধারণে তিন দিনের সম্মেলন উদ্বোধন করলেন অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস

  • ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট সময় : ০২:১৭:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৯৮৯৮ বার ভিউ


দক্ষিণ এশিয়ায় উচ্চশিক্ষার বর্তমান চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নির্ধারণের লক্ষ্যে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী আঞ্চলিক সম্মেলনের উদ্বোধন করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে আনুষ্ঠানিকভাবে এ সম্মেলনের উদ্বোধন করা হয়।
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) আয়োজিত এই সম্মেলনের শিরোনাম ‘দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সম্মেলন: উচ্চশিক্ষার অবস্থা ও ভবিষ্যৎ পথনির্দেশনা (সার্চে ২০২৬)’।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজ। সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব রেহানা পারভীন এবং বিশ্বব্যাংকের ডিভিশন ডিরেক্টর জ্যঁ পেসমে।

স্বাগত বক্তব্য দেন ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তানজিমউদ্দিন খান।
অনুষ্ঠানে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাগণ, সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যগণ, দেশি-বিদেশি শিক্ষাবিদ, গবেষক এবং কূটনীতিকরা উপস্থিত ছিলেন।

ইউজিসি সূত্র জানায়, হায়ার এডুকেশন অ্যাকসেলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (হিট) প্রকল্পের আওতায় এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ইউজিসি এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।
সম্মেলনে যুক্তরাজ্য, মালদ্বীপ, মালয়েশিয়া, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কাসহ বিভিন্ন দেশের প্রায় ৩০ জন আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করছেন। পাশাপাশি বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিরাও সম্মেলনে যুক্ত হয়েছেন। আগামী ১৫ জানুয়ারি সম্মেলনের কার্যক্রম শেষ হবে।

এ ছাড়া সার্কভুক্ত দেশগুলোর বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন ও উচ্চশিক্ষা কমিশনের প্রতিনিধি, বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, শিক্ষাবিদ ও গবেষকরাও এতে অংশ নিচ্ছেন।

ইউজিসি জানায়, বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা এবং সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে উচ্চশিক্ষা খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা ও নেটওয়ার্ক আরও জোরদার করাই এই সম্মেলনের মূল লক্ষ্য।

তিন দিনে মোট আটটি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে।
প্রথম দিনে দুটি অধিবেশনে আলোচনা হবে—
দক্ষিণ এশিয়ায় উচ্চশিক্ষার বর্তমান অবস্থা: শাসনব্যবস্থা, গুণগত মান ও অন্তর্ভুক্তি
গবেষণা, উদ্ভাবন, টেকসই উন্নয়ন ও সামাজিক সম্পৃক্ততা দ্বিতীয় দিনে আলোচ্য বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে—

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সংযুক্তি ও ডিজিটাল রূপান্তর
স্মার্ট লার্নিং ইকোসিস্টেম
স্নাতকদের কর্মসংস্থান ও শিল্প–একাডেমিয়া সহযোগিতা
উচ্চশিক্ষার ভবিষ্যৎ পথ: সহযোগিতা, সংহতি ও নেটওয়ার্কিং
নাগরিক সমাজের অংশগ্রহণে সংলাপ
হিট প্রকল্পের প্রেক্ষাপটে উপাচার্যদের সঙ্গে আলোচনা
শেষ দিনে উচ্চশিক্ষায় লিঙ্গসমতা ও অন্তর্ভুক্তি বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলনের সমাপনী দিনে ‘ঢাকা উচ্চশিক্ষা ঘোষণা’ গ্রহণের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মেলনের পর্দা নামবে।

দক্ষিণ এশীয় উচ্চশিক্ষার ভবিষ্যৎ রূপরেখা নির্ধারণে তিন দিনের সম্মেলন উদ্বোধন করলেন অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস

আপডেট সময় : ০২:১৭:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬


দক্ষিণ এশিয়ায় উচ্চশিক্ষার বর্তমান চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নির্ধারণের লক্ষ্যে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী আঞ্চলিক সম্মেলনের উদ্বোধন করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে আনুষ্ঠানিকভাবে এ সম্মেলনের উদ্বোধন করা হয়।
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) আয়োজিত এই সম্মেলনের শিরোনাম ‘দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সম্মেলন: উচ্চশিক্ষার অবস্থা ও ভবিষ্যৎ পথনির্দেশনা (সার্চে ২০২৬)’।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজ। সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব রেহানা পারভীন এবং বিশ্বব্যাংকের ডিভিশন ডিরেক্টর জ্যঁ পেসমে।

স্বাগত বক্তব্য দেন ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তানজিমউদ্দিন খান।
অনুষ্ঠানে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাগণ, সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যগণ, দেশি-বিদেশি শিক্ষাবিদ, গবেষক এবং কূটনীতিকরা উপস্থিত ছিলেন।

ইউজিসি সূত্র জানায়, হায়ার এডুকেশন অ্যাকসেলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (হিট) প্রকল্পের আওতায় এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ইউজিসি এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।
সম্মেলনে যুক্তরাজ্য, মালদ্বীপ, মালয়েশিয়া, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কাসহ বিভিন্ন দেশের প্রায় ৩০ জন আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করছেন। পাশাপাশি বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিরাও সম্মেলনে যুক্ত হয়েছেন। আগামী ১৫ জানুয়ারি সম্মেলনের কার্যক্রম শেষ হবে।

এ ছাড়া সার্কভুক্ত দেশগুলোর বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন ও উচ্চশিক্ষা কমিশনের প্রতিনিধি, বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, শিক্ষাবিদ ও গবেষকরাও এতে অংশ নিচ্ছেন।

ইউজিসি জানায়, বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা এবং সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে উচ্চশিক্ষা খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা ও নেটওয়ার্ক আরও জোরদার করাই এই সম্মেলনের মূল লক্ষ্য।

তিন দিনে মোট আটটি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে।
প্রথম দিনে দুটি অধিবেশনে আলোচনা হবে—
দক্ষিণ এশিয়ায় উচ্চশিক্ষার বর্তমান অবস্থা: শাসনব্যবস্থা, গুণগত মান ও অন্তর্ভুক্তি
গবেষণা, উদ্ভাবন, টেকসই উন্নয়ন ও সামাজিক সম্পৃক্ততা দ্বিতীয় দিনে আলোচ্য বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে—

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সংযুক্তি ও ডিজিটাল রূপান্তর
স্মার্ট লার্নিং ইকোসিস্টেম
স্নাতকদের কর্মসংস্থান ও শিল্প–একাডেমিয়া সহযোগিতা
উচ্চশিক্ষার ভবিষ্যৎ পথ: সহযোগিতা, সংহতি ও নেটওয়ার্কিং
নাগরিক সমাজের অংশগ্রহণে সংলাপ
হিট প্রকল্পের প্রেক্ষাপটে উপাচার্যদের সঙ্গে আলোচনা
শেষ দিনে উচ্চশিক্ষায় লিঙ্গসমতা ও অন্তর্ভুক্তি বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলনের সমাপনী দিনে ‘ঢাকা উচ্চশিক্ষা ঘোষণা’ গ্রহণের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মেলনের পর্দা নামবে।