ঢাকা ০২:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বরিশালে টানা তিন দিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা, কনকনে শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত


চলতি শীত মৌসুমে বরিশালে টানা তিন দিন ধরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস, যা এ মৌসুমের এখন পর্যন্ত সর্বনিম্ন।

এর আগে বৃহস্পতিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রি এবং বুধবার ১৩ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। টানা তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় জেলায় শীতের তীব্রতা বেড়েছে কয়েক গুণ।


শুক্রবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত বরিশালের কোথাও সূর্যের দেখা মেলেনি। পুরো জেলা ছিল হালকা কুয়াশায় ঢাকা। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কর্মজীবী মানুষসহ সব বয়সের বাসিন্দারা।
শীতের প্রভাবে গত কয়েক দিন ধরে শেবাচিম হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে রোগীর চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। শীতের সঙ্গে হিমেল বাতাস বইতে থাকায় ঠাণ্ডার অনুভূতি আরও তীব্র হচ্ছে। কনকনে ঠাণ্ডায় প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না অনেকেই।

বরিশাল আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র আবহাওয়া পর্যবেক্ষক মাজাহারুল ইসলাম জানান, শুক্রবার সকালে এ মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। আগামী কয়েক দিন এমন আবহাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে। তবে বর্তমানে কোনো শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা নেই বলেও জানান তিনি।

নগরীর বাংলাবাজার এলাকার অটোরিকশাচালক রানা বলেন, “গত কয়েক দিন ধরে তীব্র শীতের কারণে রাস্তায় লোকজন কম। ঠাণ্ডার মধ্যে গাড়ি চালানো খুব কষ্টকর হয়ে পড়েছে। এতে আয়ও কমে গেছে।”

বরিশালে টানা তিন দিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা, কনকনে শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত

আপডেট সময় : ১১:৪৯:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫


চলতি শীত মৌসুমে বরিশালে টানা তিন দিন ধরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস, যা এ মৌসুমের এখন পর্যন্ত সর্বনিম্ন।

এর আগে বৃহস্পতিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রি এবং বুধবার ১৩ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। টানা তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় জেলায় শীতের তীব্রতা বেড়েছে কয়েক গুণ।


শুক্রবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত বরিশালের কোথাও সূর্যের দেখা মেলেনি। পুরো জেলা ছিল হালকা কুয়াশায় ঢাকা। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কর্মজীবী মানুষসহ সব বয়সের বাসিন্দারা।
শীতের প্রভাবে গত কয়েক দিন ধরে শেবাচিম হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে রোগীর চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। শীতের সঙ্গে হিমেল বাতাস বইতে থাকায় ঠাণ্ডার অনুভূতি আরও তীব্র হচ্ছে। কনকনে ঠাণ্ডায় প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না অনেকেই।

বরিশাল আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র আবহাওয়া পর্যবেক্ষক মাজাহারুল ইসলাম জানান, শুক্রবার সকালে এ মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। আগামী কয়েক দিন এমন আবহাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে। তবে বর্তমানে কোনো শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা নেই বলেও জানান তিনি।

নগরীর বাংলাবাজার এলাকার অটোরিকশাচালক রানা বলেন, “গত কয়েক দিন ধরে তীব্র শীতের কারণে রাস্তায় লোকজন কম। ঠাণ্ডার মধ্যে গাড়ি চালানো খুব কষ্টকর হয়ে পড়েছে। এতে আয়ও কমে গেছে।”