ঢাকা ০৫:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঘন কুয়াশা ও শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত জনজীবন, আরও বাড়তে পারে শীত


পৌষের মাঝামাঝিতে এসে ঘন কুয়াশা ও হাড়কাঁপানো শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে সারা দেশ। উত্তরের হিমেল বাতাসের সঙ্গে ঘন কুয়াশা মিলিয়ে জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, কুয়াশাচ্ছন্ন পরিস্থিতির কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আগামী কয়েক দিন শীতের অনুভূতি আরও তীব্র হতে পারে।

ঘন কুয়াশা ও ঠান্ডা বাতাসের প্রভাবে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন শিশু, বয়স্ক ও খেটে খাওয়া মানুষ। পর্যাপ্ত শীতবস্ত্রের অভাবে নিম্ন আয়ের মানুষের কষ্ট বেড়েছে। অনেক এলাকায় ভোরের দিকে সড়কে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে, কোথাও কোথাও দেখা দিয়েছে দুর্ঘটনার আশঙ্কা।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, মধ্যরাত থেকে দুপুর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কুয়াশার চাদর বিস্তৃত থাকতে পারে। এতে সড়ক, নৌ ও আকাশপথে যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

রোববার (২৯ ডিসেম্বর) দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে কিশোরগঞ্জের নিকলীতে—৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ ছাড়া সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ১১, কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ১১ দশমিক ৩, কুমিল্লা ও যশোরে ১১ দশমিক ৫, পটুয়াখালীর খেপুপাড়ায় ১১ দশমিক ৮ এবং মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল ও নীলফামারীর ডিমলায় ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। রাজধানী ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, বর্তমানে দেশের কিছু অঞ্চলে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। আগামী কয়েক দিনে রাতের তাপমাত্রা আরও ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে। এর ফলে ভোর ও সকালের দিকে কুয়াশা আরও ঘন হবে এবং শীতের তীব্রতা বাড়বে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানায়, ডিসেম্বরের শেষ ভাগ থেকে জানুয়ারির শুরু পর্যন্ত শীতের প্রকোপ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। জানুয়ারিতে দেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে যেতে পারে, যা দরিদ্র, বয়স্ক ও খোলা আকাশের নিচে বসবাসকারীদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, সোমবার মধ্যরাত থেকে বুধবার সকাল পর্যন্ত সারা দেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। কোনো কোনো এলাকায় তা দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে দৃষ্টিসীমা কমে গিয়ে উড়োজাহাজ, নৌযান ও সড়ক যোগাযোগ সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে, বিশেষ করে নদী অববাহিকা অঞ্চলে।

ঘন কুয়াশা ও শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত জনজীবন, আরও বাড়তে পারে শীত

আপডেট সময় : ১২:২৬:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫


পৌষের মাঝামাঝিতে এসে ঘন কুয়াশা ও হাড়কাঁপানো শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে সারা দেশ। উত্তরের হিমেল বাতাসের সঙ্গে ঘন কুয়াশা মিলিয়ে জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, কুয়াশাচ্ছন্ন পরিস্থিতির কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আগামী কয়েক দিন শীতের অনুভূতি আরও তীব্র হতে পারে।

ঘন কুয়াশা ও ঠান্ডা বাতাসের প্রভাবে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন শিশু, বয়স্ক ও খেটে খাওয়া মানুষ। পর্যাপ্ত শীতবস্ত্রের অভাবে নিম্ন আয়ের মানুষের কষ্ট বেড়েছে। অনেক এলাকায় ভোরের দিকে সড়কে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে, কোথাও কোথাও দেখা দিয়েছে দুর্ঘটনার আশঙ্কা।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, মধ্যরাত থেকে দুপুর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কুয়াশার চাদর বিস্তৃত থাকতে পারে। এতে সড়ক, নৌ ও আকাশপথে যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

রোববার (২৯ ডিসেম্বর) দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে কিশোরগঞ্জের নিকলীতে—৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ ছাড়া সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ১১, কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ১১ দশমিক ৩, কুমিল্লা ও যশোরে ১১ দশমিক ৫, পটুয়াখালীর খেপুপাড়ায় ১১ দশমিক ৮ এবং মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল ও নীলফামারীর ডিমলায় ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। রাজধানী ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, বর্তমানে দেশের কিছু অঞ্চলে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। আগামী কয়েক দিনে রাতের তাপমাত্রা আরও ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে। এর ফলে ভোর ও সকালের দিকে কুয়াশা আরও ঘন হবে এবং শীতের তীব্রতা বাড়বে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানায়, ডিসেম্বরের শেষ ভাগ থেকে জানুয়ারির শুরু পর্যন্ত শীতের প্রকোপ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। জানুয়ারিতে দেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে যেতে পারে, যা দরিদ্র, বয়স্ক ও খোলা আকাশের নিচে বসবাসকারীদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, সোমবার মধ্যরাত থেকে বুধবার সকাল পর্যন্ত সারা দেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। কোনো কোনো এলাকায় তা দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে দৃষ্টিসীমা কমে গিয়ে উড়োজাহাজ, নৌযান ও সড়ক যোগাযোগ সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে, বিশেষ করে নদী অববাহিকা অঞ্চলে।