ভোলার মনপুরা উপজেলায় শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) ভোর আনুমানিক ৬টার দিকে হঠাৎ ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। আকস্মিক এই কম্পনে পুরো দ্বীপজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ফজরের নামাজ চলাকালীন মসজিদ, মাদ্রাসা, বসতবাড়ি, সরকারি-বেসরকারি অফিস ও হাসপাতাল ভবন দুলে ওঠে, যা নামাজরত মুসল্লিদের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ সৃষ্টি করে।
ইসলামী আন্দোলনের আমির মাওলানা জসিম উদ্দিন এবং দারুস সুন্নাহ ফজলুল উলুম কওমী মাদ্রাসার মুহতামিম এনায়েত উল্লাহ নুরনবী জানান, নামাজ চলাকালে মসজিদ কেঁপে ওঠায় মুসল্লিরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। অনেকেই দ্রুত নিরাপদ স্থানে যাওয়ার চেষ্টা করেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ভূমিকম্পের সময় পুকুর ও জলাশয়ের পানি অস্বাভাবিকভাবে টলমল করতে দেখা গেছে। মনপুরা উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কম্পনের প্রভাব অনুভূত হয়।
স্থানীয় সূত্রের ধারণা, ভারতের মণিপুর ও আসাম অঞ্চলে সংঘটিত শক্তিশালী ভূমিকম্পের প্রভাবেই মনপুরায় এই কম্পন অনুভূত হয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগেও ২০২৪ সালের মে মাসে মণিপুরে ৩.৫ মাত্রার ভূমিকম্পের সময় মনপুরায় মৃদু কম্পন টের পাওয়া গিয়েছিল।
এদিকে সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মনপুরা উপজেলায় ভূমিকম্পে কোনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
স্টাফ রিপোর্টার 










