একজন বিচারকের দিন যেন যুদ্ধক্ষেত্রের মতো,প্রতিটি মুহূর্তে সিদ্ধান্ত, দায়িত্ব, চাপ, এবং ঝুঁকি।মাসে ১০ থেকে ১২টি রায় পড়তে হয়।যার প্রত্যেকটি তৈরির পেছনে থাকে নিদ্রাহীন রাত, অগণিত পৃষ্ঠা পড়া, আইনের গভীর বিশ্লেষণ এবং নীরব একাকীত্ব।
কোর্টের ব্যস্ততা শেষে, গভীর রাতে নিজের বাসার আলো জ্বেলে বসে বিচারকরা লিখে যান রায়
দেশের ন্যায়বিচারের মূল ভিত্তি।
যে রায়গুলো আমরা পরদিন পড়ি, সমালোচনা করি, বিশ্লেষণ করি সেগুলো তৈরি হয় তাঁদের একান্ত পরিশ্রম, ত্যাগ আর নীরব সংগ্রামে।
তবুও এই রাষ্ট্র একজন বিচারকের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ।যে মানুষ ন্যায়বিচার দেয়, তারই জীবন আজ অনিরাপদ, তার বাসভবন ঝুঁকিপূর্ণ।
ব্যথার বিষয় হচ্ছে যে দেশে বিচারক নিরাপদ নন, সেখানে বিচার কি স্বাধীন থাকতে পারে?
আইনজীবী ও বিচারক একই পাখির দুই ডানা।
একজন পড়ে, অন্যজন লেখে,একজন যুক্তি সাজায়,অন্যজন রায় দেয়।তাঁদের নিরাপত্তা মানেই বিচারব্যবস্থার নিরাপত্তা।
একজন আইনজীবী হিসেবে বিচারকদের নিরাপত্তার দাবিতে ঢাকা আইনজীবী সমিতির পক্ষ থেকে দৃঢ়, অবিচল ও হৃদয় থেকে একাত্মতা ঘোষণা করছি।
স্টাফ রিপোর্টার 










